বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি – বাংলার পথে পথে https://bangali.shutorang-bangladesh.com এগিয়ে যাচ্ছে মানুষ, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ Sat, 24 Jan 2026 15:36:50 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 ঢাকায় নির্মাণ হচ্ছে ১১১ তলা ‘বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার’ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/21/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%a4/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/21/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%a4/#respond Mon, 21 Sep 2020 09:22:30 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=305 অনলাইন রিপোর্টার ॥ সুউচ্চ অট্টালিকার কথা ভাবলেই সবার মাথায় আসে বুর্জ খলিফা, চীনের সাংহাই টাওয়ার, সৌদি আরবের মক্কা ক্লক টাওয়ার, আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ইত্যাদি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাওয়ার হলো দুবাইয়ের নান্দনিক বুর্জ খলিফা। এমন কোনো স্থাপনার বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য কি বিলাসিতা? একটি দেশের আধুনিকায়ন করতে যেমন সুষম উন্নয়ন করতে হয় ঠিক তেমনি একটি মেজর সিটি থাকা লাগে যেটি দিন শেষে ওই নির্দিষ্ট শহরকে রিপ্রেজেন্ট করা যায় দেশের বাহিরে। রাজধানী ঢাকার কথা যদি চিন্তা করা হয়, বর্তমানে এটি বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য নগরীর একটি এবং এর আধুনিকায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

যেমন মেট্রোরেল, BRT, বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের উন্নয়ন, ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রভৃতি অবকাঠামো উন্নয়নে যখন বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান হবে তখন এই আধুনিকায়নকে একটি নির্দিষ্ট সিটি ফুটিয়ে তুলবে যা দিনশেষে আধুনিক ঢাকাকে বিশ্বে তুলে ধরবে।

একটি দেশের অর্থনীতি টেকসই নাকি ভঙ্গুর তাও নির্ভর করে এ সব মহা প্রকল্পের ওপর। দুবাই বা চীন কিংবা আমেরিকার অর্থনীতির উন্নতির পেছনে এ সব প্রকল্পের অবদান কম কিসে। নতুন কোনো বিনিয়োগকারী বা পর্যটক যখন বাংলাদেশ নিয়ে জানতে চাবে দিনশেষে এসকল অবকাঠামো তাদের আকৃষ্ট করবে বাংলাদেশ নিয়ে। বহির্বিশ্বে বর্তমানে হাজারো পর্যটক দুবাই কিংবা মালয়েশিয়া যায় শুধু বুর্জ খলিফা কিংবা পেটরনাস টুইন টাওয়ারের সঙ্গে একটি ছবি তুলতে! যুগের পরে যুগ এ সব অবকাঠামোই একটি শহরের পরিচয় বহন করে এবং হয়ে ওঠে নান্দনিকতা ও আভিজাত্যের প্রতীক। বাংলাদেশেও এমন একটি মেগা প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বপ্নের ‘বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার’ প্রকল্পটি গড়ে উঠছে ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে যেখানে এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে একটি স্মার্ট সিটি। তিনটি সুউচ্চ টাওয়ারকে কেন্দ্র করে থাকছে নান্দনিক স্টেডিয়াম, হাসপাতাল, বিজনেস সেন্টার, আধুনিক ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ইত্যাদি। প্রকল্পের মূল আকর্ষণ ‘বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার’ এ থাকছে যথাক্রমে ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ৫২তলা, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ৭১তলা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লিগ্যাসি স্মরণে ১১১ তলা বিল্ডিং এবং এই তিন টাওয়ারের চারদিকে ৪৯ তলার আরও ৪০টি ভবন নির্মিত হবে। যদিও পূর্বের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান KPC গ্রুপের পরিবর্তন হলে তাদের ডিজাইন করা ১৪২ তলার টাওয়ার ‘৭১’ এ পরিবর্তন আনা হয়। এছাড়াও প্রশাসনিক কারণ এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অসম্মতিও ডিজাইন পরিবর্তনে দায়ী ছিল।

বর্তমানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে যথাক্রমে শিকদার গ্রুপের সিস্টার কোম্পানি পাওয়ার প্যাক হোল্ডিংস লিমিটেড এবং জাপানের কাজিমা কর্পোরেশনের মাধ্যমে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৪ সালে প্রকল্পটি দৃশ্যমান হওয়া শুরু করবে এবং বর্তমানে প্রকল্পের পাইলিংয়ের কাজ চলছে পুরোদমে এবং প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে আছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৬ হাজার কোটি টাকা এবং এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী দেশগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ফিলিপাইন। ইতোমধ্যেই প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয়ের ৬০ হাজার কোটি টাকা যোগাড় করা হয়েছে।

এ প্রকল্প নিয়ে অনেকেরই ভিন্নমত থাকতে পারে তবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দৃঢ়তা প্রকাশ পাবে তদুপরি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বহির্বিশ্বে।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/21/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a3-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%a7-%e0%a6%a4/feed/ 0
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে রেকর্ড লেনদেন https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/10/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/10/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1/#respond Thu, 10 Sep 2020 11:40:12 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=291 করোনা মহামারিতে মানুষ যতটা পারছে ঘরে থাকার চেষ্টা করছে। তবে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে মানুষকে টাকা আদান প্রদান করতে হচ্ছে। এখন অনলাইনে কেনাকাটা থেকে শুরু করে, ইউটিলিটি বিল প্রদান, চাকরির বেতন পর্যন্ত সবই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হচ্ছে। আর যখন খুশি টাকা উঠানো, টাকা পাঠানো, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করার মতো সুবিধা তো রয়েছেই।

মূলত, ব্যাংকে যাওয়ার ঝামেলা কমাতেই মানুষ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে। এতে ব্যাংকের লাইনে দাঁড়ানোর বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি মিলছে মানুষের। দিন যত গড়াচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে উঠছে। বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে লেনদেন হচ্ছে ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শুরু হওয়ার আট বছরের মাথায় এজেন্ট সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ (জুলাই পর্যন্ত) হিসেবে দেখা গেছে, দেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা ৯ কোটি ২৬ লাখ। তবে নিবন্ধিত গ্রাহকদের মধ্যে অনেক হিসাবই সক্রিয় নেই। সক্রিয় গ্রাহক রয়েছে ৪ কোটি ২৬ লাখ। এসব গ্রাহক জুলাই মাসে ৩১ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৩৮০টি লেনদেন করেছে। যার মাধ্যমে ৬৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা এক মাসে এ যাবত্কালের সর্বোচ্চ লেনদেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং বা এমএফএসে লেনদেন কয়েকটি কারণে বেড়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর আবার খুলেছে। জুলাই মাসে ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটার লেনদেন হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বেতন দিচ্ছে। মানুষ ক্রেডিট কার্ডের বিলসহ ব্যাংকিংয়ের অনেক সেবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিচ্ছে। এছাড়া সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ ছিল; যেমন সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আর্থিক অনুদান ও প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপলক্ষ্যে উপহার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সুবিধা ভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তারা বলছেন, করোনার কারণে মানুষ একে অপরের সঙ্গে ‘কন্ট্রাকলেস ট্রানজেকশন’ বা ডিজিটাল ট্রানজেকশনে যাচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নতুন নতুন সেবা যুক্ত হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছে ‘বিকাশ’। এমএফএসের মাধ্যমে যত লেনদেন হয় তার অর্ধেকের বেশি লেনদেন হয় বিকাশে। এ বিষয়ে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম ইত্তেফাককে বলেন, কোভিডের কারণে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর তা ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। মানুষ আর্থিক লেনদেনও করছে। এরপর ঈদ আসার কারণে লেনদেন বেড়েছে।

ডিজিটাল আর্থিক সেবাদানকারী সংস্থা ‘নগদ’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুক ইত্তেফাককে বলেন, আমরা পর্যবেক্ষণ করছি দেশের মানুষ তাদের প্রতিদিনকার কেনাকাটা এবং অন্য যে কোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল আর্থিক প্ল্যাটফরমের ওপর আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভর করছে। গ্রাহকরা এখন স্পর্শহীন লেনদেন বেশি পছন্দ করছে। সে কারণেই এমএফএস-এ লেনদেন অনেক বেড়েছে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই অনেক কাজ করা যাচ্ছে। বাস, ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন পরিশোধ করা যাচ্ছে মানুষের হাতের মুঠোয় থাকা ছোট্ট যন্ত্রটির মাধ্যমে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যেসব কাজ করা যায় সেগুলো হলো, রেমিট্যান্স পাঠানো, ক্যাশ ইন-ক্যাশ আউট, একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্যজনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো, ইউটিলিটি বিল দেওয়া, মোবাইল ফোনের এয়ার টাইম কেনা, পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট পেমেন্ট, সরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন দেওয়া, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা, বিমা প্রিমিয়াম, ডিপিএস দেওয়া যায়।

তবে এতসব সুবিধার পরও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বেশি চার্জ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের খরচ ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অর্থাত্ গ্রাহকদের ১ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করতে খরচ হয় সাড়ে ১৮ টাকা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এ খরচ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় কম হলেও ব্যাংকের টাকা পাঠানোর চেয়ে বেশি।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে খরচ বেশি বিষয়ে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম ইত্তেফাককে বলেন, দেশের মোবাইল ব্যাংকিং খাত এখনো বিনিয়োগ পর্যায়ে রয়েছে। ক্যাশ আউট ও সেন্ড মানি এ দুটি ছাড়া আর অন্য কোনো সেবা থেকে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় না। নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসা ও জনবলের জন্য প্রচুর টাকা খরচ হয়। সে তুলনায় আয় হয় কম। এক্ষেত্রে আয়ের একটা বড় অংশ ৭৫ থেকে ৭৭ শতাংশ এজেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউটরদের দিয়ে দিতে হয়। অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রানজেকশন করলে বাকিটা পায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। আর মোবাইল অপারেটরদের সাহায্যে ট্রানজেকশন করলে তার মধ্য থেকে ৭ শতাংশ মোবাইল অপারেটরকে দিতে হয়। ফলে সেবাদাতা হিসাবে খুব কম আয় হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরের বছর পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা করে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। ১৯৯৯ সালে ইউরোপিয়ান ব্যাংকে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। মূলত, স্মার্টফোন উদ্ভাবনের পরে মোবাইল ওয়াপ (ওয়্যারলেস অ্যাপ্লিকেশন প্রটোকল) পদ্ধতির মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং শুরু হয়।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা মোবাইল অপারেটর ভিত্তিক হলেও বাংলাদেশে এ সেবা ব্যাংকভিত্তিক। ব্যাংকগুলো বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ সেবা দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ১৫টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করলেও এখন সবচেয়ে এগিয়ে আছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/10/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1/feed/ 0
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্পিড : চীনের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/06/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a1%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/06/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a1%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#respond Sun, 06 Sep 2020 06:49:52 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=245 প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উন্নত হচ্ছে বিশ্ব, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশও। ইন্টারনেটের ব্যাপকতা সর্বক্ষেত্রেই সহজ করে তুলছে মানুষের জীবন।

বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ইন্টারনেটের বিস্তার বেড়েছে বহুমাত্রায়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ব্রডব্যান্ড সেবার মানও।

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এ দেশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্পিডে প্রায় ৩৮ লাখ বর্গমাইলের দেশ চীনের চেয়ে এগিয়ে আছে।

সম্প্রতি গুগল ও বেশ কয়েকটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত এম ল্যাবের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এম ল্যাব ২২১টি দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতির ওপর এক সমীক্ষা পরিচালনা করে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৪তম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রডব্যান্ডে বাংলাদেশের ইন্টারনেটের গতি গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ৩ দশমিক ২ মেগাবাইট বা ৩ দশমিক ২ এমবিপিএস।

তালিকায় থাকা চীনের অবস্থান ২০০তম। দেশটির ব্রডব্যান্ডের গতি ২ দশমিক ১ মেগাবাইট পার সেকেন্ড। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়াতে নেপাল (১৫০), ভুটান (১৫৯), মালদ্বীপ (১৪১), শ্রীলঙ্কা (৭২) ও ভারতের অবস্থান (১০১)। দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

উল্লেখযোগ্য বিষয় মাত্র ৬২ বর্গমাইলের দেশ লিশটেনস্টাইনে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পাওয়া গেছে। ইউরোপের এ দেশটিতে ইন্টারনেটের গড় গতি ২৩০ এমবিপিএস। এ গতি দিয়ে ৫ গিগাবাইটের একটি ফাইল ডাউনলোড করতে মাত্র ৩ মিনিটেরও কম সময় প্রয়োজন হয়।

ইন্টারনেটের গতির দিক থেকে শীর্ষে থাকা ৫টি দেশের বাকি দেশগুলো যথাক্রমে- জার্সি, অ্যান্ডোরা, জিব্রাল্টার ও লুক্সেমবার্গ।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র প্রকাশিত চলতি বছর জুন মাসের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, দেশে আগের চেয়ে বেড়েছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার। গত মে মাস পর্যন্ত দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৮০ লাখ ৮৪ হাজার। বিটিআরসি প্রকাশিত জুন মাসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে বর্তমানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮৫ লাখ ৭১ হাজার। সেই হিসাবে এক মাসে ব্যবহারকারী বেড়েছে ৪ লাখ ৮৬ হাজার। গত ফেব্রুয়ারি মাসে যা ছিল ৫৭ লাখ ৪৩ হাজার। ফেব্রুয়ারি-মার্চ-মে- এ তিন মাসে এক লাফে ব্রডব্যান্ডের গ্রাহক বেড়ে যায় ২৩ লাখ ৪১ হাজার। আর মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৫ হাজার।

— সংগৃহীত খবর

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/06/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a1%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/ 0
টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়তে কাজ করবে আইইবি ও আইসিটি ডিভিশন https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/04/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%86%e0%a6%aa-%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/04/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%86%e0%a6%aa-%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/#respond Fri, 04 Sep 2020 12:49:49 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=216 দেশে একটি টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য যৌথভাবে কাজ করবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ও সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ডিভিশন।

বৃহস্পতিবার ‘সেন্টার অফ এক্সসিলেন্স অন ফোর্থ ইন্ডাস্টিয়াল রেভোলিউশন’ এবং ‘শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ তে যৌথভাবে রিসার্চ ও ইনোভেশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইইবি এবং আইসিটি ডিভিশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন আইসিটি ডিভিশনের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন আইইবির প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি ডিভিশনের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ। সমঝোতা স্মারকে আইইবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ এবং আইসিটি ডিভিশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন আইসিটি ডিভিশনের যুগ্ম সচিব মো. আক্তরুজ্জান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিআরআই এর কোঅর্ডিনেটর প্রকৌশলী তন্ময় আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অনেক। ‘সেন্টার অফ এক্সসিলেন্স অন ফোর্থ ইন্ডাস্টিয়াল রেভিউলেশন’ এবং ‘শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’তে কোর্স কারিকুলাম যুগোপযোগী করা এবং প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনায় আইইবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত জ্ঞান নির্ভর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এক সাথে কাজ করবে আইইবি ও আইসিটি ডিভিশন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ‘ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি’র পাশাপাশি ‘সায়েন্স ডিপ্লোমেসি’ ও টেকনোলজি ডিপ্লোমেসি’ তেও আমাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিজ্ঞান গবেষণায় উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে একত্রে কাজ করতে, নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে এবং নিজস্ব প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে এই কূটনীতি সামনের দিনগুলোতে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আইইবির কম্পিউটার ডিভিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি প্রকৌশলী মো. রনক আহসান।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/04/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%86%e0%a6%aa-%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f/feed/ 0
নিবিচ্ছিন্ন মোবাইল সংযোগ নিশ্চিত করতে প্রথম হাইব্রিড সোলার উইন্ড টাওয়ার স্থাপন https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/02/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/02/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/#respond Wed, 02 Sep 2020 06:57:10 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=194  প্রত্যন্ত এলাকার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারনে এ পদক্ষেপ নিয়েছে সমন্বিত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সেবা কম্পানি ইডটকো বাংলাদেশ। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত দ্বীপ হাতিয়ায় ৭৫ মিটার লম্বা টাওয়ারটি স্থাপন করা হয়েছে।

ইডটকো জানায়, দেশের যে এলাকাগুলো জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের অন্তর্ভুক্ত নয়, সেসকল স্থানের নেটওয়ার্ক শক্তিশালিকরণে এ উদ্যোগ নেয়া হযেছে। উদ্ভাবনী, টেকসই ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী সলিউশন স্থাপনের মাধ্যমে টেলিকম টাওয়ারগুলোতে বিকল্প শক্তি ব্যবহার করে দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

টাওয়ারটি একটি স্থায়ী গ্রিন হাইব্রিড এনার্জি সলিউশন দিয়ে গঠিত। যা সর্বোচ্চ ১২ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার থেকে দৈনিক প্রতি ঘণ্টায় ৪২ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। টাওারের মাথায় বসানো চার কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বায়ু ঘূর্ণিযন্ত্র থেকে ঘণ্টায় ছয় কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব। হাইব্রিড পাওয়ার প্লান্টটি টেলিকম সিস্টেমকে সারা বছর সক্রিয় রাখবে। নবায়নযোগ্য এই এনার্জি সলিউশন ডিজেলের ব্যবহার কমানোসহ সার্বিকভাবে টাওয়ার রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/02/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/feed/ 0
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী ৫০ পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/08/31/%e0%a6%9a%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%ac-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a7%8b/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/08/31/%e0%a6%9a%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%ac-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a7%8b/#respond Mon, 31 Aug 2020 04:13:21 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=122 চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে দেশে ৫০টি পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ২৪ আগস্ট পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সিনিয়র সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম।

একই সঙ্গে অকুপেশনভিত্তিক রেডিনেস এনালাইসিস ও কম্পিট্যান্সি স্ট্যান্ডার্ড এবং কারিকুলাম তৈরি বিষয়ক এক অনলাইন কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। অনলাইন কর্মশালাটি টেমাসেক ফাউন্ডেশন ও সিঙ্গাপুর পলিটেকনিক ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এবং ইউএনডিপি-এর সহায়তায় পরিচালিত অ্যাস্পায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, পিএএ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। উদ্যোগগুলোর সঙ্গে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপাদানগুলো সমন্বয় করে বিভিন্ন সেক্টরের দক্ষতা উন্নয়নে আমরা বর্তমানে কাজ শুরু করেছি। ভবিষ্যতে সব সেক্টরে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি বৃদ্ধি করা এখন আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।
সিঙ্গাপুর পলিটেকনিক ইন্টারন্যাশনালের জেনারেল ম্যানেজার জনাব এন্ড্রুও টান বলেন, গত চার দশক ধরে বাংলাদেশ এবং সিঙ্গাপুরের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। যা ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এ সম্পর্ক সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আরও গতিশীল হয়েছে। এ প্রোগ্রাম তার অন্যতম উদাহরণ আমরা এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে চাই।
সভাপতির বক্তব্যে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে বাংলাদেশে অনেক সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে। এজন্য আমাদের অকুপেশনভিত্তিক রেডিনেস অ্যানালাইসিস করা প্রয়োজন এবং কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ট তৈরি করতে হবে। আমরা সিঙ্গাপুরভিত্তিক টেমাসেক ফাউন্ডেশন ও সিঙ্গাপুর পলিটেকনিকের সহযোগিতায় ৫০টি প্রকল্প হাতে নিয়েছি।
এর মধ্যে ১৬টি প্রকল্প সরকারি দফতর (মন্ত্রণালয়/অধিদফতর), ২৭টি প্রকল্প শিল্প প্রতিষ্ঠান/এসোসিয়েশন এবং ২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ৭টি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এ প্রজেক্টগুলো আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই এবং দেখাতে চাই চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় আমরা দক্ষতা অর্জন করেছি এবং আমাদের দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হবেন, উৎসাহিত হবেন।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/08/31/%e0%a6%9a%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%ac-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%af%e0%a7%8b/feed/ 0
ইনকিউবেশন সেন্টার হবে ১১ জেলায় https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/08/31/ss/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/08/31/ss/#respond Mon, 31 Aug 2020 03:38:52 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=104 দেশের আরও ১১টি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হবে। ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা এ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। যে ১১টি উপজেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন হবে সেগুলো হল- সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, জয়পুরহাটের কালাই, দিনাজপুর সদর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, কিশোরগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, চাঁদপুরের মতলব, বান্দরবানের বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ভোলা সদর, কুষ্টিয়া সদর এবং মেহেরপুর সদর।
এছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ দেশের ৬৪ জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর বাস্তবায়ন করবে।
এরই ধারাবাহিকতায় দেশের ১২টি স্থানে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন শুরু হয়। এর মধ্যে রাজশাহী ও নাটোরে আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার একনেকে পাস হওয়া প্রকল্পটি চলতি মাস থেকে শুরু হয়ে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।
তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় এ ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরি করা হবে। এ সেন্টারের মাধ্যমে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।
এতে করে তারা আত্মনির্ভরশীলও হওয়ার সুযোগ পাবে। দেশের ৬৪ জেলায় আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ এখান থেকে প্রায় ১০ লাখের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং প্রায় ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘আমরা সব প্রকল্প তরুণ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে হাতে নেই। আজ একনেকে পাস হওয়া দেশের ১১টি স্থানে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে মাইলফলক রচিত হবে’।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/08/31/ss/feed/ 0