অর্থনীতি – বাংলার পথে পথে https://bangali.shutorang-bangladesh.com এগিয়ে যাচ্ছে মানুষ, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ Sat, 24 Jan 2026 15:32:23 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 যুক্তরাজ্যে ২০২৭ সাল পর্যন্ত জিএসপি পাবে বাংলাদেশ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2021/02/17/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ad-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2021/02/17/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ad-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d/#respond Wed, 17 Feb 2021 10:40:54 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=338 বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলেও ২০২৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাবে। দুই ধাপে তিন বছর করে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা বা জিএসপি পাবে।

আজ বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন তাঁর বাসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। গতকাল মঙ্গলবার দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলন নিয়ে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

রবার্ট ডিকসন বলেন, ‘বিশেষ করে উচ্চমানের সেবা খাতসহ যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ বাড়ছে। রপ্তানিভিত্তিক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে বিকশিত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতার অংশ হিসেবে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলেও দুই ধাপে তিন বছর করে যুক্তরাজ্যের বাজারে জিএসপি সুবিধা পাবে। প্রথম ধাপে ২০২৪ সাল আর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সাল পর্যন্ত জিএসপি সুবিধা পাবে। তার মানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য এ সময় পর্যন্ত শুল্ক আর কোটামুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। এরপর কী ঘটবে সেটা নির্ভর করবে আমাদের জিএসপি নীতিমালা কেমন হবে, তার ওপর। অর্থাৎ আগামী ছয় বছর যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশ অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেতে থাকবে।’

রবার্ট ডিকসন আরও জানান, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তৃতীয় বৃহত্তম গন্তব্য যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ৩৪০ কোটি পাউন্ড। এর মধ্যে বাংলাদেশ সে দেশে রপ্তানি করেছে ২৮০ কোটি পাউন্ডের পণ্য। আর যুক্তরাজ্য থেকে আমদানি করেছে ৬৩ কোটি পাউন্ডের পণ্য। মূলত যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানির অধিকাংশই হচ্ছে তৈরি পোশাক। আর বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ হচ্ছে যুক্তরাজ্য।

বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের বিষয়ে জানতে চাইলে রবার্ট ডিকসন বলেন, বাণিজ্য সংলাপে আন্তরাষ্ট্রীয় উচ্চশিক্ষার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত আইনের কারণে ২০১৬ সালে যুক্তরাজ্যের অন্তত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়। কারিগরি ও পেশাগত কাজের জন্য বিশেষায়িত যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশে এসে শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ার মতো সাফল্য নিশ্চিত করতে চায়। তারা এখানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করবে। তবে প্রক্রিয়াগত যেসব সমস্যা আছে তা অচিরেই দূর হয়ে যাবে।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার তাঁর দেশে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের আরও আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতির ওপর জোর দেন। গতকাল মঙ্গলবার দুই দেশের সংলাপে এ বিষয়গুলো এসেছে বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানান। রবার্ট ডিকসন বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকৃষ্ট স্থান হিসেবে তুলে ধরার স্বার্থে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, পদ্ধতিগত অনিশ্চয়তা, চুক্তি বাস্তবায়নের শর্তাবলি ও দুর্নীতি দূর করার পাশাপাশি করের হারের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা হওয়াটা জরুরি। আর এসব বিষয় সুরাহার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অঙ্গীকার হচ্ছে পূর্বশর্ত।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2021/02/17/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ad-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d/feed/ 0
এখন থেকে সব ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে: বাংলাদেশ ব্যাংক https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2021/02/01/%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2021/02/01/%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/#respond Mon, 01 Feb 2021 09:40:09 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=333 খেলাপি ঋণে আর কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এখন থেকে সব ঋণের বিপরীতে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। কেবলমাত্র মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কেরভিত্তিতে চলমান মেয়াদ শেষের দিন থেকে ৫০ শতাংশ বাড়ানো যাবে। এব এই সীমা কোন ক্রমেই দুই বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না। 

এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সার্কুলার জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে। 
সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে গিয়েছিল। এ কারণে গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই এক বছর সব ধরনের ঋণের কিস্তি পরিশোধ স্থগিত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোন ঋণকে নতুন করে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ২০২০ সালের কোন গ্রাহককে ঋণের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা হয়নি। একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোন গ্রাহককে নতুন করে ঋণ খেলাপি হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়নি। 

নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাব মোকাবেলায় আগের দেয়া সুবিধা আর না বাড়ানোর সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, এর ফলে যে কারণে ১ জানুয়ারি থেকে যেসব ঋণ বা ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় হলে তা পরিশোধ করতে হবে। এগুলো পরিশোধে ব্যর্থ হলে নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের বর্তমান সংজ্ঞা অনুযায়ী, তলবী ঋণের কিস্তি পরিশোধের দিন থেকে ৬ মাস অপরিশোধিত থাকলে এবং মেয়াদী ঋণের কিস্তি পরিশোধের দিন থেকে নয় মাস অপরিশোধিত থাকলে তা খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। 

তবে সার্কুলারে মেয়াদী ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি থেকে কেবলমাত্র নিয়মিত মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে পরিশোধের সময়সীমা চলমান মেয়াদের সঙ্গে আরও ৫০ শতাংশ বাড়ানো যাবে ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে। তবে তা কোন ক্রমেই এই মেয়াদ দুই বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না। কোন খেলাপি বা মেয়াদী ঋণ ছাড়া অন্য কোন ঋণের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না। 

এতে আরও বলা হয়, অন্যান্য ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বিতরণ করা ঋণের ক্ষেত্রে সংশ্লিস্ট প্যাকেজের নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ আদায় করতে হবে।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2021/02/01/%e0%a6%8f%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%8b%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0/feed/ 0
কক্সবাজারে রেল চলাচল শুরু হলে পর্যটন শিল্প ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে: রেলমন্ত্রী https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/13/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/13/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0/#respond Sun, 13 Sep 2020 03:42:41 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=301 রেলপথ মন্ত্রী মো: নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারকে একটি পরিপূর্ণ আন্তর্জাতিকমানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েই কাজ করছেন। ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেল চলাচল শুরু হলে দেশের পর্যটন শিল্পে ও অর্থনৈতিক খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাস্তবায়নাধীন কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, দোহাজারী-কক্সবাজার ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত এক অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা হাজিপাড়া, রামু ফতেখাঁরকুলসহ বিভিন্ন স্থানে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এছাড়া বাস্তবায়নাধীন রেল স্টেশনের কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি।

সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্প সমাপ্ত ও ঢাকা হতে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল চলাচল চালু হবে। তার আগে ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা যথানিয়মে হস্তান্তর করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কেউ ক্ষতিপূরণের বাইরে থাকবে না।

বক্তব্য শেষে প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ জন ভূমি মালিককে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

এসময় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার, প্রকল্প পরিচালক মো: মফিজুর রহমান, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা শামীম হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ মাহমুদ উল্লাহ মারুফ, রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রকল্প ও ভূমি অধিগ্রহণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, রেলপথ মন্ত্রী মো: নুরুল ইসলাম সুজন ২ দিনের সফরে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার আসেন। বেসরকারি একটি বিমানযোগে বেলা ১১টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। বিকেলে ‌’দোহাজারী-কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প’ এর ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা করেন। শনিবার ‘রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প’ কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে বিকেলে সড়কপথে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন মন্ত্রী।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/13/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0/feed/ 0
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে রেকর্ড লেনদেন https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/10/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1/ https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/10/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1/#respond Thu, 10 Sep 2020 11:40:12 +0000 https://bangali.shutorang-bangladesh.com/?p=291 করোনা মহামারিতে মানুষ যতটা পারছে ঘরে থাকার চেষ্টা করছে। তবে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে মানুষকে টাকা আদান প্রদান করতে হচ্ছে। এখন অনলাইনে কেনাকাটা থেকে শুরু করে, ইউটিলিটি বিল প্রদান, চাকরির বেতন পর্যন্ত সবই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হচ্ছে। আর যখন খুশি টাকা উঠানো, টাকা পাঠানো, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করার মতো সুবিধা তো রয়েছেই।

মূলত, ব্যাংকে যাওয়ার ঝামেলা কমাতেই মানুষ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে। এতে ব্যাংকের লাইনে দাঁড়ানোর বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি মিলছে মানুষের। দিন যত গড়াচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে উঠছে। বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে লেনদেন হচ্ছে ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শুরু হওয়ার আট বছরের মাথায় এজেন্ট সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ (জুলাই পর্যন্ত) হিসেবে দেখা গেছে, দেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা ৯ কোটি ২৬ লাখ। তবে নিবন্ধিত গ্রাহকদের মধ্যে অনেক হিসাবই সক্রিয় নেই। সক্রিয় গ্রাহক রয়েছে ৪ কোটি ২৬ লাখ। এসব গ্রাহক জুলাই মাসে ৩১ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৩৮০টি লেনদেন করেছে। যার মাধ্যমে ৬৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা এক মাসে এ যাবত্কালের সর্বোচ্চ লেনদেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোবাইল ব্যাংকিং বা এমএফএসে লেনদেন কয়েকটি কারণে বেড়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর আবার খুলেছে। জুলাই মাসে ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটার লেনদেন হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বেতন দিচ্ছে। মানুষ ক্রেডিট কার্ডের বিলসহ ব্যাংকিংয়ের অনেক সেবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিচ্ছে। এছাড়া সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ ছিল; যেমন সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আর্থিক অনুদান ও প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপলক্ষ্যে উপহার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সুবিধা ভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তারা বলছেন, করোনার কারণে মানুষ একে অপরের সঙ্গে ‘কন্ট্রাকলেস ট্রানজেকশন’ বা ডিজিটাল ট্রানজেকশনে যাচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নতুন নতুন সেবা যুক্ত হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছে ‘বিকাশ’। এমএফএসের মাধ্যমে যত লেনদেন হয় তার অর্ধেকের বেশি লেনদেন হয় বিকাশে। এ বিষয়ে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম ইত্তেফাককে বলেন, কোভিডের কারণে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর তা ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। মানুষ আর্থিক লেনদেনও করছে। এরপর ঈদ আসার কারণে লেনদেন বেড়েছে।

ডিজিটাল আর্থিক সেবাদানকারী সংস্থা ‘নগদ’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুক ইত্তেফাককে বলেন, আমরা পর্যবেক্ষণ করছি দেশের মানুষ তাদের প্রতিদিনকার কেনাকাটা এবং অন্য যে কোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল আর্থিক প্ল্যাটফরমের ওপর আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভর করছে। গ্রাহকরা এখন স্পর্শহীন লেনদেন বেশি পছন্দ করছে। সে কারণেই এমএফএস-এ লেনদেন অনেক বেড়েছে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই অনেক কাজ করা যাচ্ছে। বাস, ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন পরিশোধ করা যাচ্ছে মানুষের হাতের মুঠোয় থাকা ছোট্ট যন্ত্রটির মাধ্যমে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যেসব কাজ করা যায় সেগুলো হলো, রেমিট্যান্স পাঠানো, ক্যাশ ইন-ক্যাশ আউট, একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্যজনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো, ইউটিলিটি বিল দেওয়া, মোবাইল ফোনের এয়ার টাইম কেনা, পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট পেমেন্ট, সরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন দেওয়া, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা, বিমা প্রিমিয়াম, ডিপিএস দেওয়া যায়।

তবে এতসব সুবিধার পরও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বেশি চার্জ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের খরচ ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অর্থাত্ গ্রাহকদের ১ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করতে খরচ হয় সাড়ে ১৮ টাকা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এ খরচ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় কম হলেও ব্যাংকের টাকা পাঠানোর চেয়ে বেশি।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে খরচ বেশি বিষয়ে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম ইত্তেফাককে বলেন, দেশের মোবাইল ব্যাংকিং খাত এখনো বিনিয়োগ পর্যায়ে রয়েছে। ক্যাশ আউট ও সেন্ড মানি এ দুটি ছাড়া আর অন্য কোনো সেবা থেকে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় না। নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসা ও জনবলের জন্য প্রচুর টাকা খরচ হয়। সে তুলনায় আয় হয় কম। এক্ষেত্রে আয়ের একটা বড় অংশ ৭৫ থেকে ৭৭ শতাংশ এজেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউটরদের দিয়ে দিতে হয়। অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রানজেকশন করলে বাকিটা পায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। আর মোবাইল অপারেটরদের সাহায্যে ট্রানজেকশন করলে তার মধ্য থেকে ৭ শতাংশ মোবাইল অপারেটরকে দিতে হয়। ফলে সেবাদাতা হিসাবে খুব কম আয় হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরের বছর পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা করে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। ১৯৯৯ সালে ইউরোপিয়ান ব্যাংকে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। মূলত, স্মার্টফোন উদ্ভাবনের পরে মোবাইল ওয়াপ (ওয়্যারলেস অ্যাপ্লিকেশন প্রটোকল) পদ্ধতির মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং শুরু হয়।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা মোবাইল অপারেটর ভিত্তিক হলেও বাংলাদেশে এ সেবা ব্যাংকভিত্তিক। ব্যাংকগুলো বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এ সেবা দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ১৫টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করলেও এখন সবচেয়ে এগিয়ে আছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

]]>
https://bangali.shutorang-bangladesh.com/2020/09/10/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1/feed/ 0